বুধবার, ২৯ জুন ২০২২ | ১৫ আষাঢ় ১৪২৯

শান্তিগঞ্জে বন্যাকালীন স্বাস্থ্য সচেতনায় পানিবাহিত রোগ থেকে রক্ষা পেয়েছে হাজার মানুষ



জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলায় স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার স্বাস্থ্য সচেতনায় পানীবাহিত রোগ সহ নানা রোগ থেকে রক্ষা পেয়েছে বন্যা কবলিত মানু্ষ।  চিকিৎসা সেবায় এক অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছেন শান্তিগঞ্জ উপজেলার ২টি ইউনিয়ন উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে, ৭টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ও ২৫টি কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

শান্তিগঞ্জ উপজেলায় চলতি বন্যায় প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানি বন্দি ছিলেন।  বন্যায় নোংড়া পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার কারণে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েডসহ পানিবাহিত নানা রোগে ছড়ানোর আতংক ছিল উপজেলা জুড়েই। উপজেলা স্বাস্থ্য সচেতনতায় বড় ধরনের দূর্ভোগ থেকে রক্ষা পেয়েছে বানবাসী ও আশ্রয় কে মানুষ।

জানাযায়, শান্তিগঞ্জ উপজেলায় বন্যা পরবর্তী পানি বাহিত রোগীর সংখ্যা নাই বল্লেই চলে। তবে সিলেট শহর ও সুনামগঞ্জ জেলা জুড়েই বন্যায় পরবর্তি পানি বাহিত রোগীর দেখা মিলে হাসপাতাল গুলোতে।  চলতি বছর পাহাড়ী ঢলে অকাল বন্যা ও বন্যা পরবর্তী সময়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জসিম উদ্দিন শরিফীর দিক নির্দেশনায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ১৫৫টি গ্রামে বাড়ী বাড়ী গিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা  পানি বিশুদ্ধ করন ট্যাবলেট, শুকনো খাবার স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় ঔষধ বিনামূল্যে আশ্রয়কেন্দ্রে ও প্রাইমারি স্কুলে আশ্রয় ক্যাম্প সহ বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে নৌকা ভাড়া করে নিজেদের পয়সা খরচ করে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ সহ সহায়তা করেন।

শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি কাজী জমিরুল ইসলাম মমতাজ বলেন, শান্তিগঞ্জ উপজেলার অধিকাংশ গ্রাম বন্যার পানিতে নিমজ্জিত ছিল।  গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের বসত বাড়ী পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেকই আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বাড়ী বাড়ী ও আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে শুকনো খাবার, ত্রান, পানি বিশুদ্ধ করণ ট্যাবলেট ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করেছেন। এতে সাধারণ মানুষ রোগশোক থেকে রক্ষা পেয়েছেন।

শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জসিম উদ্দিন শরিফী জানান, শান্তিগঞ্জ উপজেলার অধিকাংশ গ্রাম বন্যা কবলিত হওয়ায় সাথে সাথে সকল কর্মকর্তা কর্মচারি ও আমার নিয়ন্ত্রনাধীন ইউনিয়নে থাকা কমিউনিটি ক্লিনিকের সকলকে নির্দেশনা দেই খাবার স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধ করন ট্যাবলেট ও নাপা জাতীয় ঔষধ সহ জনসচেতনতা বৃদ্ধির কাজে ঝাপিয়ে পড়তে। তারাও যার যার স্বাধ্যমত কাজ করেছে। নিজেদের পয়সার বিভিন্ন গ্রামে নৌকা ভাড়া করে নিয়ে গিয়ে বন্যাকবলিত মানুষের সেবা করেছে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •