সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২ | ১০ মাঘ ১৪২৮

শান্তিগঞ্জে কেনা সম্পত্তি প্রতিপক্ষের ভোগ দখলের চেষ্টা



 

সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জের পশ্চিম পাগলায় কেনা সম্পত্তি প্রতিপক্ষের ভোগ দখলের চেষ্ঠার অভিযোগ এনে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন ভোক্তভুগী পরিবার।

রবিবার বিকাল ৪টায় উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের রায়পুর (মহাজনবাড়ি) গ্রামে ভোক্তভুগী পরিবারের বসত বাড়িতে সাংবাদিক সম্মলন করেন মৃত লোকমান আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের লোকজন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার পিতা বিগত ১৬ আগষ্ট ১৯৬৪ ইং সালে ৮২৫২ নং সাফ কবালা দলিল মূলে তৎকালীন সিলেট জিলার আজমিরিগঞ্জ থানার বিরাট গ্রামের বাসিন্দা মৃত নিলাচন্দ রায়ের ছেলে নন্দলাল রায়,ঠাকুরধন রায় ও লালমোহন রায়ের কাছ থেকে আমার নামে পাগলা বাজারে বীরগাঁও চক মৌজাস্থিত এস এ জেএল নং ৭৫, আর এস জেএল নং ৬২, এস এ খতিয়ান নং ৭৫, আর এস খতিয়ান নং ১২৭, এস এ দাগ নং ৮১,আর এস দাগ নং ৯৮, শ্রেণী দোকান রকম ভ‚মি, পরিমান ০.০২২৫ একর জায়গা ক্রয় করেন। বাবা মারা যাওয়ার পরে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর বিগত ১ বছর আগে আমাদের সম্পত্তির কাগজ পত্র সংগ্রহকালে আমার বাবার ক্রয়কৃত আমার নামে পাগলা বাজারে ০.০২২৫ একর দোকান রকম ভূমির দলিলটি খোঁজে পাই। দলিলটি পাওয়ার পরে আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ্য থাকায় আমার ছেলে সাফিউল ইসলাম সুস্বাদ কে সেই দলীল দিয়ে বলি এই জায়গা আমাদের তুমি ভূমি অফিস সহ সংশ্লিষ্ট অফিসে যোগাযোগ করে দেখ দোকানটি কোন অবস্থায় আছে। তখন আমার ছেলে খোঁজাখোঁজি করে দেখতে পায় আমার পিতার কেনা সম্পত্তিতে দুইজন ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ী দীর্ঘ ১৫-২০ বছর ধরে দর্জি ও স্বর্নের ব্যবসা করে আসছেন। উনাদের সাথে আমার ছেলে আলাপ কালে জানতে পারে যে, এই জায়গার সাবেক মালিকের উত্তরাধীকারীগন উনার কাছে ভাড়া দিয়েছেন এবং উনাদের কাছ থেকে ভাড়া আদায় করছেন। পরে আমার ছেলে ভূমির মালিক দাবীকারী ও দোকানের ভাড়া উত্তোলকারী পক্ষের রথীন্দ্র লাল রায় সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ও ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে দুইটি মামলা দায়ের করে। বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত এই জায়গার যাওয়া থেকে বিবাদীগনকে অন্তর্তীকালীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দারা বারিত করেন। বর্তমানে আমরা উক্ত ভূমিতে ভোগ দখল বুঝে নিয়েছি।
এ ব্যাপারে রফিকুল ইসলামের বড় ছেলে জামিউল ইসলাম তুরান জানান, একটি কুচক্রি মহল আমাদের পেছনে লেগেছে, যাতে করে এই দ্বন্দ্বটি ভিন্নখাতে প্রভাবিত করা যায়। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি এবং দোকান দখলে নিয়েছি।
এ ব্যাপারে প্রতিপক্ষের ওয়ারিশ বাদল রায় জানান, পাগলা বাজারে ২টি দোকান ঘর আমাদের ভোগ দখলে আছে আমরা প্রবাসে থাকায় দোকান ঘরটি ভাড়াটিয়াদের তত্ত¡াবধানে রয়েছে। আমার দাদাগন উক্ত দোকান ঘর বিক্রয় করেছেন বলে আমাদের জানা নেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •