সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২ | ১০ মাঘ ১৪২৮

শান্তিগঞ্জে ১৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত



তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে শান্তিগঞ্জ (সাবেক দক্ষিণ সুনামগঞ্জ) উপজেলায় ১৮ চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ না পেলে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তাঁরা হলেন পশ্চিম পাগলা ইউপির মো. সজিব আহমদ। তিনি খেজুরগাছ প্রতীকে ১২৫ ভোট পেয়েছেন। পূর্ব পাগলা ইউপিতে রয়েছেন চার প্রার্থী। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল হোসেন পেয়েছেন ৪৯ ভোট, আক্কাস খান ঘোড়া প্রতীকে ৬১০ ভোট, অটোরিকশা প্রতীকে আলাল মিয়া ১৭ ভোট, জয়নাল আবেদীন টেলিফোন প্রতীকে ৪২ ভোট।

জয়কলস ইউপিতেও চার চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী জহির উদ্দিন চশমা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৫২ ভোট, অটোরিকশা প্রতীকে আব্দুল লতিফ কালাশাহ ১ হাজার ৫৬৬ ভোট, ওয়াছির উদ্দিন ৫০৮ ভোট, হাসান মাহমুদ তারেক মোটরসাইকেল প্রতীকে ৫০২ ভোট। পশ্চিম বীরগাঁও ইউপিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীসহ তিনজন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী দেবাংশু নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৮৩ ভোট, মফিজুর রহমান ২৫৫ ভোট ও সামসুল আলম ভূইয়া ৯৬৫ ভোট। পূর্ব বীরগাঁও ইউপির রুবেল মিয়া পেয়েছেন ৯৪৮ ভোট ও জমির হোসেন ৮৬ ভোট। শিমুলবাঁক ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কবির আহমদ।

তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৭৮৬ ভোট। পাথারিয়া ইউপিতে জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে তিন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর। মো. দেলোয়ার মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১১৪ ভোট, আনারস প্রতীকে বদরুজ্জামান ৫৭ ভোট ও হারুনুর রশীদ অটোরিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৭ ভোট।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ পেতে হবে। নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোট না পেলে ওই প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে বলে জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •