বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২ | ২৬ শ্রাবণ ১৪২৯

ছাত্রলীগ ছাড়া অন্যদের ডাকসু নির্বাচন বর্জন



নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে ক্ষমতাসীন ছাত্রলীগ ছাড়া সব প্যানেল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে এই ঘোষণা দেয়া হয়।

একইসঙ্গে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘট কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে প্রগতিশীল বামজোট, ছাত্র ফেডারেশন, কোটা সংস্কার আন্দোলনসহ বিভিন্ন পদের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পক্ষ থেকে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন বামজোটের ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দী।

এ সময় অন্য প্যানেলের প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থেকে ভোট বর্জনে সম্মতি দেন।

এর ফলে এই নির্বাচনে এখন রইল শুধু আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ, জাসদ ছাত্রলীগ, ছাত্রলীগ বিসিএল ও ছাত্রমৈত্রীর প্যানেল।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রহসন-জালিয়াতির এই নির্বাচন বাতিল করে পুনঃতফসিল ঘোষণা করতে হবে। হলে নয়, নতুনভাবে ভোট হতে হবে একাডেমিক ভবনে। সেই নির্বাচনে ব্যালট বাক্স হতে হবে স্বচ্ছ।

সংবাদ সম্মেলনে লিটন নন্দী হলে হলে ভোটগ্রহণের সময় বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরেন। কুয়েত-মৈত্রী হলে জালভোট মারা ব্যালট উদ্ধারের ঘটনায় তিনি নিন্দা জানান।

লিটন নন্দী বলেন, ‘আমরা এই প্রহসন ও জালিয়াতির নির্বাচন ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। পাশাপাশি নতুন নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি। সেই নির্বাচনের নতুন পরিচালনা কমিটি গঠন, একাডেমিক ভবনে ভোটকেন্দ্র স্থাপন এবং স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ করতে হবে।’

পরে এসব দাবি নিয়ে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন ভোট বর্জনকারীরা। ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে তারা ভিসির বাসভবনের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন