শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২ | ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯

সিলেটে বিএনপির কালো পতাকা মিছিল



সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, জিয়া পরিবারের জনপ্রিয়তায় ভীতসন্ত্রস্ত ‘অবৈধ’ সরকার এখন দিশেহারা। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করতে বাকশালী সরকার সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাকে হাতিয়ার বানিয়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার তাদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে চরিতার্থ করেছে। অন্যায় ও অযৌক্তিকভাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতাদের জড়িয়ে ফরমায়েশি সাজা প্রদানের রায় জাতি প্রত্যাখ্যান করেছে।

রোববার (২১ অক্টোবর) বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলা রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন সাজা প্রদানের প্রতিবাদে, বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তির দাবিতে সিলেট জেলা ও মহানগর আয়োজিত কালো পতাকা মিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন।

তারা আরও বলেন, রাজনীতির ময়দান থেকে দূরে রাখতে ইতিমধ্যে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ফরমায়েশি সাজা দিয়ে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। আরও একটি মামলার ফরমায়েশি সাজার ষড়যন্ত্র করছে। কোন ষড়যন্ত্রই সফল হতে দিবে না। জিয়া পরিবারের নেতৃত্বে দেশপ্রেমিক জনতা এখন ঐক্যবদ্ধ। অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়াকে নি:শর্ত মুক্তি দিতে হবে। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেয়া ফরমায়েশি সাজা বাতিল করতে হবে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সকল দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে হবে। অন্যথায় বাকশালী সরকারকে কঠোর মূল্য দিতে হবে।

কালো পতাকা মিছিলটি নগরীর জিন্দাবাজার পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করে জেল রোডে গিয়ে সমাপ্ত হয়। মিছিলে জেলা ও মহানগর বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট জেলা সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, মহানগর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত চৌধুরী সাদেক, মহানগর সহসভাপতি হুমায়ুন কবির শাহীন, সহসভাপতি কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীম, সহসভাপতি জিয়াউল গণি আরেফিন জিল্লুর, সহসভাপতি কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা সহসভাপতি শাহজামাল নুরুল হুদা, সহসভাপতি একেএম তারেক কালাম, মহানগর উপদেষ্টা সৈয়দ বাবুল, জেলা সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন বাচ্চু, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ খান জামাল ও আবুল কাশেম, মহানগর দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, জেলা দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট মো. ফখরুল হক, মহানগর পরিবারকল্যাণ সম্পাদক লল্লিক আহমদ চৌধুরী, আপ্যায়ন সম্পাদক আফজাল উদ্দিন, জেলা ধর্ম সম্পাদক আল মামুন খান, মহানগর সহসাংগঠনিক সম্পাদক খসরুজ্জামান খসরু, জেলা সহসাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, সহদপ্তর সম্পাদক আব্দুল মালেক ও দিদার ইবনে তাহের লস্কর, সহছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, সহশিশু সম্পাদক দিলোয়ার হোসেন জয়, সহক্ষুদ্র কুটির শিল্প সম্পাদক এনামুল হক মাক্কু, বিএনপি নেতা শেখ কবির আহমদ, এম. মখলিছ খান, মঈনুল ইসলাম মঞ্জু, কবির আহমদ নুনু, যুবদল নেতা আমজাদ আলী, মহিবুর রহমান মুরাদ, মঈন উদ্দিন, সেলিম আহমদ, মকসুদুল করিম নোহেল, মির্জা সম্রাট, জামিল আহমদ, এনামুল হক শামীম, লুৎফুর রহমান, কয়েস আহমদ, আলী আহমদ আলম, জামাল আহমদ খান, বাদল আহমদ, ছাত্রদল মহানগর সহসভাপতি জিএম সেলিম, জেলা সহসভাপতি আমজাদ হোসেন, জেলা যুগ্ম সম্পাদক আলী আকবর রাজন, জেলা যুগ্ম সম্পাদক দুলাল রেজা, মহানগর সহসাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, ছাত্রদল নেতা আব্দুল মুকিত, সেবুল আহমদ, আমজদ আলীম, রাজন আচার্য্য ও মকসুদ আহমদ রিপন প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন