বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২ | ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ-জগন্নাথপুরে রাজনীতিতে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আলহাজ্ব এম এ মান্নান



সারাদেশে নির্বাচনী তফসিল এখনও ঘোষণা হয়নি। তবে এরই মধ্যে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করছে সুনামগঞ্জ-০৩ সংসদীয় আসনে।

একাদশ নির্বাচনকে ঘিরে  নিত্য দিনই  যেন  আলোচনা সমালোচনার কেন্দ্রে বিন্দুতে পরিনত হচ্ছে। কে ধরবেন সুনামগঞ্জ- ৩ আসনে নৌকার হাল। তাই নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই, সাধারন ভোটার থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের  মাঝে। তবে দক্ষিণ সুনামগঞ্জের রাজনীতির মাঠে নৌকা প্রতিক নিয়ে জয়ী  হওয়ার লড়াইয়ে  কে কতটুকু আস্থা  রাখতে পারবে জননেত্রী শেখ হাসিনার।

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ-জগন্নাথপুর বাসী সহ সাধারন জনগনের উন্নয়নের  জন্য যিনি সর্বদা নিড়লস কাজ করে চলছেন, কেবল তিনিই পারেন নৌকার হাল ধরার। সেই জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে এগিয়ে আছেন আলহাজ্ব এম এ মান্নান এমপি।

তিনি একজন সজ্জন মানুষ হওয়ায় আবারো আগামী সংসদ নির্বাচনে আ.লীগের দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি এবং তিনি আবারো দলীয় প্রার্থী হলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান।

সুনামগঞ্জ-০৩ সংসদীয় আসনটি এবারো আ.লীগ চাইছে ধরে রাখতে আবার বিএনপি চাইছে নিজেদের দখলে নিতে। এর মধ্যে জাতীয় পার্টিও চাইছে সুযোগ বুঝে নতুন করে দখল করতে। তাই এবারের নির্বাচন হবে আ.লীগের মর্যাদা ধরে রাখার লড়াই ও বিএনপির দখলের লড়াই। এক্ষেত্রে দলীয় প্রার্থী মনোনীত হওয়ার উপর নির্ভর করছে আসনটি কার হবে।  এলাকায় শুরু হয়ে গেছে নির্বাচনী আমেজ। ভোটাররাও কষতে শুরু করেছেন ভোটের হিসাব-নিকাশ। অপেক্ষা শুধু কে হচ্ছেন দলের প্রার্থী। দলীয় প্রার্থী মনোনীত হলে নিজেদের বিজয় নিশ্চিতের লক্ষে নেতাকর্মীরা ঝাপিয়ে পড়বেন নির্বাচনী মাঠে।

নির্বাচনী মাঠে সুনামগঞ্জ-৩ আসনে সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, আ.লীগের বর্তমান অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এমএ মান্নান, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত জাতীয় নেতা আলহাজহ্ব আবদুস সামাদ আজাদের পুত্র কেন্দ্রীয় আ.লীগ নেতা আজিজুস সামাদ আজাদ ডন। বিএনপির জমিয়ত নেতা সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এমএ মালেক খান, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শিক্ষাবিদ লে. কর্ণেল অব. সৈয়দ আলী আহমদ ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ। এর মধ্যে কোন দলের কে হচ্ছেন দলের কান্ডারি। কে পাবেন সোনার হরিণ খ্যাত দলীয় মনোনয়ন। তা দেখার অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনতা। এরপর শুরু ভোটযুদ্ধ।

সংবাদটি শেয়ার করুন