সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯

মহাকাশে ‘কৃত্রিম চাঁদ’ পাঠিয়ে চীন



মহাকাশে ‘কৃত্রিম চাঁদ’ পাঠিয়ে তাদের শহরগুলোকে আলোকিত করার পরিকল্পনা করছে চীন।

২০২০ সালের মধ্যে রাস্তার ল্যাম্পপোস্ট তুলে দিয়ে এভাবে শহরকে আলোকিত করে বিদ্যুৎ খরচ বাঁচানো হবে বলে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম খবর দিয়েছে।

এই লক্ষ্যে সিচুয়ান প্রদেশের চেংডু শহরে ‘আলোকোজ্জ্বল স্যাটেলাইট’ তৈরি করা হচ্ছে। এটা সত্যিকারের চাঁদের সঙ্গেই আকাশ থেকে আলো ছড়াবে। কিন্তু, আসল চাঁদের চেয়ে এটি আট গুণ বেশি উজ্জ্বল হবে বলে জানিয়েছে চায়না ডেইলি।

মানুষের তৈরি প্রথম চাঁদটি সিচুয়ানের জিচুং স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে। প্রথম পরীক্ষাটি সফল হলে ২০২২ সালে আরো তিনটি স্যাটেলাইট মহাকাশে প্রেরণ করা হবে বলে জানান উ চুনফেং।

তিনি তিয়ান ফু নিউ এরিয়া সাইন্স সোসাইটির প্রধান কর্মকর্তা। এই প্রজেক্টটিও তারা পরিচালনা করছেন।

প্রথম উৎক্ষেপণটা পরীক্ষামূলক হলেও ‘২০২২ সালে পাঠানো স্যাটেলাইটগুলো নাগরিক ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে দারুণ সম্ভাবনাময় হবে’, ডেইলি চায়নাকে বলেন চুনফেং।

স্যাটেলাইটগুলো সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে শহরাঞ্চলকে আলোকিত করায় এসব জায়গায় আর ল্যাম্পপোস্টের প্রয়োজন পড়বে না। এর ফলে চেংডুতে বছরে ১৭ কোটি ডলার মূল্যমানের বিদ্যুৎ খরচ বাঁচবে।

এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে সেখানে এসব স্যাটেলাইট ব্যবহার করে উদ্ধার কাজ চালানো যাবে, যোগ করেন চুনফেং।

বার্তা সংস্থা এএফপি সংবাদটির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য উ চেনফেং বা তিয়ান ফু নিউ নিউ এরিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি।

তবে, সাম্প্রতিক সময়ে চীন মহাকাশ জয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেশ কয়েকটি প্রকল্প চালু করেছে। এর মধ্যে রয়েছে চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠে নভোযান পাঠানোর প্রকল্প। এতে সফল হলে চীনই হবে চাঁদের অদেখা দিকে অবতরণে সক্ষম প্রথম দেশ।

চেংডুতে অনুষ্ঠিত উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের সম্মেলনে গত ১০ অক্টোবর প্রথম এই কৃত্রিম চাঁদ প্রজেক্টের কথা জানানো হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন