সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯

ছাতকে হিজড়াদের বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ



ছাতকে হিজড়াদের একাধিক গ্রুপের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও কমিউনিটি সেন্টারে বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন এলাকার ছোট-বড় ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিশেষ করে বরযাত্রীর গাড়িতে এরা নিয়মিতই চাঁদাবাজি করছে। চাঁদা না দিলে বা দাবিকৃত চাঁদার কম দিলে জনসমক্ষে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও অপমানিত করা ছাড়াও শারীরিক নির্যাতন করতেও দ্বিধাবোধ করছে না তারা।

উপজেলার বিভিন্ন বাজারে কয়েকটি গ্রুপে ভাগ হয়ে হিজড়ারা চাঁদা তুলছে। এছাড়া বরের গাড়ি দেখলেই তারা সড়ক-মহাসড়কে গাড়ি থামিয়ে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। তাদের কথা মতো চাঁদা না দিলে শুরু হয় অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও অশালীন অঙ্গভঙ্গি। এতে মানসম্মানের ভয়ে তাদের কথা মতো টাকা দিতে বাধ্য হন অনেকে। এছাড়া শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার কমিউনিটি সেন্টারে একাধিক হিজড়ার দল চিৎকার-চেঁচামেচি, অশালীন অঙ্গভঙ্গি করে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। লাফার্জ ফেরিঘাট, ছাতক-সিলেট সড়কের জয়েন্ট কনভেশন সেন্টার, রওশন কমপ্লেক্স, লাকি কমিউনিটি সেন্টার, কিবরিয়া কমপ্লেক্স, সোলেমান কমিউনিটি সেন্টারসহ বিভিন্ন এলাকায় এরা ৪-৫ জনের দল বেঁধে নিয়মিতই বিচরণ করে।

একাধিক ভুক্তভোগী জানান, হিজড়ারা দল বেঁধে বিভিন্ন সময়ে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করে তাদের মন মতো চাঁদা আদায় করে। ছাতক বাজারের ব্যবসায়ী বলেন, এদের টাকা তোলার বিষয়টিকে অনেকে স্বাভাবিক মনে করেন। কিন্তু সাধ্যমতো টাকা দিয়েও তাদের কাছ থেকে রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে হিজড়াদের আচরণও বদলে গেছে। আগে সাহায্য চেয়ে টাকা নিলেও এখন জোর জবরদস্তি করে টাকা আদায় করছে।

ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, হিজড়াদের বিরুদ্ধে এ ধরণের চাঁদাবাজির লিখিত অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন