রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২ | ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯

বিশ্বম্ভরপুরে ৩০টি মন্দিরে হবে দুর্গোৎসব



বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় এ বছর মোট ৩০টি মন্দিরে সার্বজনীন দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে উদযাপনের লক্ষে সকল প্রস্তুতি চলছে। উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে ১৯টি, পলাশ ইউনিয়নে ৭টি, বাদাঘাট (দ.) ইউনিয়নে ৩, ধনপুর ইউনিয়নে ১টি পূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি মন্দিরেই প্রতিমা নির্মাণ কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রতিমা নির্মাণ শিল্পীরা। প্রতিমা নির্মাণ প্রায় শেষ পর্যায়ে, অনেক মন্দিরেই রং তুলি দিয়ে সাজসজ্জার কাজ চলছে।
দুর্গোৎসব সুষ্ঠ ও শান্তি পূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষে ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মধ্যে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সকল জনপ্রতিনিধি, থানার অফিসার ইনচার্জ, কর্মকর্তাবৃন্দসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিতকরণ, আইনশৃংখলা রক্ষায় মনিটরিং টিম গঠন ও সেচ্ছাসেবক দল গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরে পুজা অর্চনার পাশাপাশি গীতা পাঠ প্রতিযোগিতা, উলুধ্বনি প্রতিযোগিতা, জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ও গুণীজন সম্মাননা, আলোচনা সভা, আরতি প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতির অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে।
উপজেলা সদরের বর্ণালী সার্বজনীন পূজা মন্দিরে প্রতিমা নির্মাণ শিল্পী হিমালয় দাশ বলেন, ‘আমি ৬টি মন্দিরের প্রতিমা নির্মাণ করছি। মাটির কাজ, কারুকাজ প্রায় শেষ। এখন রং ও সাজসজ্জার কাজ করছি।’
পলাশ মাঝাইর সার্বজনীন পূজা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক দীনেশ দাশ বলেন, ‘আমরা মন্দির ও মন্দির আঙ্গিনার সাজসজ্জার কাজ শুরু করছি।’
ফতেপুর লখা পূজা মন্দিরের বিমল ধর বলেন, ‘পুজার সকল প্রকার প্রস্তুটি প্রায় শেষ পর্যায়ে। পূজা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হবে ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
উপজেলা সদর কৃষ্ণনগর বর্ণালী সার্বজনীন পূজা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক হরিশ চন্দ্র বর্মন রিপন বলেন, ‘মন্দিরে ছোট্ট সোনামনিদের অভিনয়ে দুর্গা দেবীর মহিষাসুর বধ নাটিকা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে।
বিশ্বম্ভরপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘হিন্দু ধর্মের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠান দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ভাবে উদযাপনের জন্য আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রণে রাখার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সমীর বিশ্বাস শারদীয় দুর্গাপূজা সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন