বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২ | ২ ভাদ্র ১৪২৯

দোয়ারাবাজারে দু’পক্ষের সংঘর্ষ নারী-শিশুসহ আহত ৮০



সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজরের দুই শিশুর ঝগড়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের প্রায় ৮০জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলা সদর ইউনিয়নের নৈনগাঁও গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত নিজাম উদ্দিন (২৬), সাইফুর রহমান (১৯),আকাশ মিয়া (১৮), লিয়াকত আলী (২৮), সুজন মিয়া (২০), সফিকুল ইসলাম (২১), সাঈদ মিয়া (২৬), সুহেল আহমদ (২২), আব্দুল মছব্বির (৪৫), আলিম উদ্দিন (৫০)সহ ২৬জনকে আশংকাজনক আবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে নৈনগাঁও গ্রামের দুটি শিশুর ঝগড়া নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে কিছু সময় পরই সদর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বারী ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র ও ইটপাঠকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘন্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিনত হয়। খবর পেয়ে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় মুরব্বীদের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে।

এ সংঘর্ষে ইটপাঠকেলের আঘাতে নারী-শিশুসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৮০জন আহত হলে ২৬জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহত ছোয়াব আলী (২০), আপ্তাব উদ্দিন (৩০), সেলিম মিয়া (১৭), আব্দুল হামিদ (১৯), রুস্তুম আলী (২০), রুবেল মিয়া (১৯), আনসার আলী (২২), আলাল উদ্দিন (৩৭), হালিম মিয়া (২০), গুলজার মিয়া (২৮), শাহ আলম (১৮), মনির উদ্দিন (২০), জাহাঙ্গীর (১৮), মিছির আলী (৩০), হাবিুর রহমান (৩৬), ফারুক মিয়া (৪০), কামরুল হক (৩৫) সালাম মিয়া (৪০), আলমগীর হোসেন (২০), আইনুল হক (২০),খোয়াজ আলি (৩০), মরহম আলী (২৫), মতিউর রহমান (৫০), নুর আলী (৫৫),ছালিক মিয়া (৩০), মিজান মিয়া (২৬), কুদরত উলা (১৮), তরিক আলী (৩৫), ইয়াকুব আলী (১৮), বিলাল হোসেন (৫০),আলী হোসেন (৫০), লায়েক মিয়া (২৮),আতাউর রহমান (৫০), আকরাম মিয়া (১৯), আকবর আলী (৩০), আনিছা বেগম (৩৫), আব্দুর রহমান (৪৮)সহ ৫৪জনকে দোয়ারাবাজার উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

তবে এ সংঘর্ষের ঘটনার বিষয়ে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বারী ও সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল খালেকের সাথে যোগাযোগ করা হলে দু’জনই কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

দোয়ারাবাজার থানার ওসি সুশিল চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মুরব্বীদের নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এই সংঘর্ষের ব্যাপারে কোন পক্ষেরই লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন