সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯

সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে যেসব দল



নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৯টি নিবন্ধিত দল দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে। শর্তাদি প্রতিপালনে ব্যর্থ হওয়ায় ‘ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন’ এবার দালীয় প্রতীকে নির্বাচন করতে পারবে না। নির্বাচন কশিমন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সুত্র জানায়, নিবন্ধন ছাড়া কোন দল দলীয় প্রতীতে নির্বাচন করতে পারবেন না। তাদেরকে সতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করতে হবে। সে ক্ষেত্রে সতন্ত্র প্রার্থীর জন্য ইসি যে প্রতীক সংরক্ষিত করে রেখেছে সেগুলো নিতে হবে।

নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত যেসব রাজনৈতিক দল দলীয় প্রতীকে অংশ নিতে পারবে সেগুলো হল, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), জাতীয় পার্টি-জেপি, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল-পিডিপি, খেলাফত মজলিস, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জাকের পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম.এল), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ , ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট), বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, ইসলামী ঐক্যজোট, গণফোরাম, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ, গণতন্ত্রী পার্টি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি।

এদিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বেসরকারি সংস্থা প্রশিকার চেয়ারম্যান কাজী ফারুক আহমেদের গড়ে তোলা রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল হয়েছে।

কোনো ধরনের প্রতিবেদন জমা ও প্রয়োজনীয় শর্তাদি প্রতিপালনে ব্যর্থ হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান।

তিনি বলেন, ‘ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের কাছে বারবার কমিশন প্রতিবেদন চেয়েছে; তারা তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। পাশাপাশি নিবন্ধন শর্তও প্রতিপালন করছে না দলটি। তাই কমিশন দলটির নিবন্ধন বাতিল ঘোষণা করেছে।’

একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন দলগুলোকে নিবন্ধন দেওয়ার সুযোগের পাশাপাশি বিদ্যমান নিবন্ধিত দলগুলোর কার্যক্রমও খতিয়ে দেখছে ইসি। এরই ধারবাকিতায় নিবন্ধন গেল ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের।

২০০৮ সালে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন চালুর পর ২০০৯ সালে নবম সংসদ নির্বাচনের পরে ফ্রিডম পার্টি, দশম সংসদের আগে ২০১৩ সালে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল হয়। একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে বাতিল হল ২৯ নম্বর নিবন্ধিত দল ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন।

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের ৮ অক্টোবর প্রশিকার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কাজী ফারুক আহমেদের নেতৃত্বে ‘ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন’ এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। অন্যদিকে জামায়াতের নিবন্ধন আদালতের স্থগিত আদেশ থাকায় নিবন্ধন বাতিল করেছে ইসি।

সংবাদটি শেয়ার করুন