বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২ | ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯

নতুন ঠিকানা পেয়েছে সিলেট আওয়ামী লীগ



দীর্ঘদিন থেকে কার্যালয়বিহীন রাজনৈতিক ও সকল নির্বাচনী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করলেও অবশেষে ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ।

শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে অস্থায়ীভাবে নতুন এ কার্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছে। এর আগে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের পরাজয়ের পর সিলেটের চার নেতাকে শোকজ করে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। সেই শোকজে কামরানের কাছে সিলেটে আওয়ামী লীগের কার্যালয় না থাকার কারণও জানতে চাওয়া হয়। এর পর কিছুটা নড়েচড়ে বসে সিলেট আওয়ামী লীগ। তড়িঘড়ি করে শুরু হয় কার্যালয়ের কাজ। সম্প্রতি সে কাজ সম্পন্ন হয়ে উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত হয় সিলেট আওয়ামী লীগের কার্যালয়।এছাড়া গত ৩০ আগস্ট আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই কার্যালয় প্রস্তুত করেছেন সিলেট আওয়ামী লীগের নেতারা। এই কার্যালয় প্রস্তুতে যাবতীয় ব্যয়ও কেন্দ্র থেকে দেওয়া হয়েছে। কার্যালয় হিসেবে ব্যবহারের জন্য ইব্রাহিম স্মৃতি সংসদকে সংস্কার করে নতুন রুপ দেয়া হয়েছে। এখন থেকে এই কার্যালয় থেকেই সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এদিকে নগরীর সোবানীঘাটস্থ চালিবন্দরে ইব্রাহিম স্মৃতি সংসদে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের এ কার্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে শুক্রবার বিকাল অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল। এতে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছিলেন।

শুক্রবার বিকালে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে কার্যালয়ের যাত্রা শুরুর পর সেখানে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে কেক কাটা ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী।

আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ছাত্রলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের কেক কাটেন।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি গ্রেনেড হামলায় নিহত মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ইব্রাহিম আলীর নামে এই স্মৃতি সংসদের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকে কিছুদিন বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হলেও গত কয়েক বছর ধরে সেখানে কোন কার্যক্রম নেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন