শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২ | ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯

জগন্নাথপুরে ভাসমান রোপা আমনের চারা চাষ



সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের পরামর্শে কৃষকরা এবার রোপা আমনের ভাসমান চারা লাগিয়েছেন। উপজেলার বিভিন্ন হাওরের পাশের খালগুলোতে দোলছে এসব ভাসমান চারা। অকাল বন্যা ও প্রাকৃতিকবিপর্যয় থেকে রোপা আমনের আবাদ বিঘ্নতা দূর করতে ভাসমান চারা বিশেষ ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ কৃষি বিভাগের।

জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্র জানায়, এবার উপজেলায় ৮২৮০  হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কৃষকদের লাগানো চারা বড় হতে শুরু করছে। এখন এসব চারা জমিতে রোপন করা হবে এবং অগ্রাহয়ন মাসে ফসল উত্তোলন করা হবে।

  জগন্নাথপুর উপজেলার ইকড়ছই গ্রামের কৃষক ফিরোজ মিয়া বলেন,কৃষি বিভাগের পরামর্শে মোমিনপুর হাওরের হাশিমাবাদ এলাকায় সরকারি খালের ওপর ভাসমান চারা রোপন করেছি। তিনি বলেন,দ্রুত এসব চারা বাড়তে শুরু করেছে। তারপর সময়মতো চারাগুলো জমিতে রোপন করব। তাঁরমতো অনেক কৃষক কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিয়ে ভাসমানা চারা লাগিয়েছেন বলে তিনি জানান।

জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা তপন চন্দ্র শীল বলেন, বন্যা ও প্রাকৃতিক নানা বিপযয়ে আমন চাষাবাদ যাতে পুরোপুরি বিঘ্নিত না হয় সেজন্য আমরা ভাসমান চারা লাগাতে কৃষকদেরকে উৎসাহ দেই। তিনি জানান,এবার ৫০০ হেক্টর জমিতে ভাসমান চারা রোপন করা হয়।

জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান মজুমদার বলেন, অকাল বন্যাসহ নানা প্রাকৃতিকবিপর্যয়ে চারা ক্ষতিগ্রস্হ হলে ভাসমান এ চারা সংরক্ষন করা যায়। তাই আমরা এবার কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের উদ্বুধ করে ভাসমান চারা লাগানোর উদ্যাগ নেই। তিনি বলেন,ভাদ্র মাসে এসব রোপা আমনের চারা লাগানো হয়। আশ্বিন মাসের প্রথমদিকে জমিতে চারা রোপন করা হয়। অগ্রাহয়ন মাসে এসব চারা থেকে ধান উত্তোলন করা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন