রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২ | ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯

সাপুড়ে নৃত্য!



আফগানিস্তানের সাথে প্রথম দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ খোয়া। সম্মান রক্ষার তৃতীয় ম্যাচের উইকেট পাওয়ার পর অপুর এই “ব্রেইনলেস” সেলিব্রেশন আমাকে লজ্জিত করেছে। ম্যাচ জিতলে নিজেদের হালকা একটু প্রমান করা ছাড়া শেষ ম্যাচে প্রাপ্তির কিছু ছিলো না। অথচ অপুর উদযাপন দেখে মনে হল দল বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলছে। জিতলেই ফাইনাল ম্যাচ!

আচ্ছা আমাদের কৃষ্টি কালচারের সাথে কোথায় এই সাপুড়ে নৃত্যের সংশ্লীষ্টতা আছে সেটা কি কেউ বলতে পারেন? এসব করে আমরা তো শুধু ঘৃনা চর্চার উৎপত্তি করছি। ম্যাচ শেষে শেহজাদের সেলিব্রেশন আবারো সেটাই রিমাইন্ড করে দেয়। এখানে তো শেহজাদ। নিদাহাস ট্রফির সময় পুরো শ্রীলংকান গ্যালারি নাগিন ক্ষোভে উন্মুক্ত হয়ে গিয়েছিল। তাদের বিষেই হয়ত শেষ বলে খুইছিলাম নিদাহাসের শিরোপা।

পুচকে দল নিয়ে আমরা যখন অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিলাম তখন মাঠে ছুটে যাওয়া ছাড়া অদ্ভুতুড়ে কোন সেলিব্রেশন ছিলো না। ২০০৭ বিশ্বকাপে বলেকয়ে ভারতকে হারানোর পর দলগত ভাবে বাচ্চা দোলানোর মত একটা স্টাইল করেছিল সবাই। সেটাও নিপাট ভদ্রলোক হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বে! সে জন্য তখন কোন দল আমাদের প্রতি ঘৃনা চর্চায় লিপ্ত হয়নি। এখন কেন একটা উদ্ভট সেলিব্রেশনের কারনে আমরা ছোট দেশগুলোর ঘৃনার শিকার হব!

দিন শেষে ক্রিকেটটা শুধুই খেলা এবং অবশ্যই ভদ্রলোকের খেলা।

ব্যাপারটা মাথায় রাখা উচিত!

সংবাদটি শেয়ার করুন